২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার

ধর্মপাশায় সুরমা নদীর ভাঙ্গনে কৃষক মগবুল হোসেনের বসত বাড়ি বিলীন

আপডেট: আগস্ট ১৩, ২০২২

গিয়াস উদ্দিন রানা,ধর্মপাশা(সুনামগঞ্জে):: সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য ও মধ্যবিত্ত এক জন কৃষক। সুরমা নদীর ভাঙ্গন ও ভয়াবহ বন্যায় বিলীন হয়েছে তার বসত বাড়ি। এখন তিনি স্ব পরিবারে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছেন।
অনুসন্ধানে জানা যায়, উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নের ইসলামপুর সাবেক ইউপি সদস্য কৃষক মকবুল হোসেন। এর বসত বাড়িটি সুরমা নদীর তীরবর্তী ইসলামপুর গ্রামে। পর্যায় ক্রমে বাড়িটি সুরমা নদীর ভাঙ্গনে বিলীন হওয়ায় তার বাড়ীর সামনে এলজিইডির সড়ক সংলগ্ন পরিত্যাক্ত গোলকপুর মৌজায় ২৮৩ দাগ, ৫৬৯ দাগ, ২৯৩ দাগ বর্তমান নতুন রেকর্ড ২৮৯ দাগ, ১২৯, ২৮২ ও ২৮৫ দাগের মধ্যে বর্তমান ৮১৭ দাগে ১৭ শতক, ৮১৮ দাগে ১৭ শতক ও মালিকানা ৬ শতক। মোট সর্ব মোট ৪০ শতক জায়গা রয়েছে। এর মধ্যে এলজিইডির পাকা সড়ক নির্মানে সরকার একুয়ার করে হয়েগেছে ৬ শতক। ওই দাগের মোট ৪০ শতক জায়গা আমরা সুখাইড় গ্রামের জমিদার এর বংশধর রয়েছে তাদের কাছ থেকে মগবুল হোসেন ক্রয় করেছেন।
গত ২০১২ সাল হইতে ২০২০ সাল পর্যন্ত সুরমা নদীর ভাঙ্গনে মকবুল হোসেনের বশত বাড়ীটি নদী ভাঙ্গনে বিলিন হয়ে যায়। তখন তিনি এলজিইডির সড়ক সংলগ্ন তার খরিদানা সম্পদের উপর আধা পাঁকা একটি ঘর তৈরী করে-স্ত্রী- সন্তানদের নিয়ে জীবন যাপন করবেন। এমন সময় ধর্মপাশা উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) (এসিলেন্ড) ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ঘর তৈরীর নির্মান কাজ বন্ধকরে দেয়। পরবর্তীতে ওই সম্পদের উপর সরকারি নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে সুখাইড় গ্রামের জমিদার আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। খরিদানা সূত্রে বর্তমান জায়গার মালিক মকবুল হোসেন জানান।
বর্তমান জায়গার মালিক মকবুল হোসেন বলেন, ওই ৪০ শতক জায়গার মালিক সুখাইড় গ্রামের জমিদার। এখানে কয়েক শতক জায়গা খাস খতিয়ানে থাকায় সরকার সম্পন্ন জায়গাটি ডিসি খতিয়ানে নিয়ে গেছে। সরকার বাহাদুরের কাছে আমার বিনীত নিবেদন এইযে, আমি মকবুল হোসেন সাবেক ইউপি সদস্য ইউপি সুখাইড় রাজাপুর উত্তর, গোলকপুর বাজার সংলগ্ন গ্রাম ইসলামপুর। সুরমা নদীর ভাঙ্গনে আমার বসত বাড়িটি বিলীন হয়ে যাওয়ায় আমার স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে খোলা আকাশের নিচে খুব মানবেতর জীবন যাপন করছে।
মকবুল হোসেন বলেন, আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধ শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ নিয়ে আওয়ামী লীগ রাজনীতি করে আসছি। বিনিময়ে কিছুই চাইনি। সরকার বাহাদুরের কাছে আমার বিনীত প্রার্থনা আমার দখলকৃত জায়গাটির উপর আদালতে মামলা চলছে, ওই মামলাটি নিস্পর্ত্তির আগ পর্যন্ত উপজেলা হাট বাজার নীতিমালা আইনে ওই স্থানটি ফেরিফেরির আওতায় এনে ভূগদখলের জন্য আমাকে অনুমতি প্রদানের জন্য ভূমি মন্ত্রনালয়ের সু-দৃষ্টি কামনা করছি। সুরমা নদীর ভাঙ্গনে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে খোলা আকাশের নীচে মানবেতর জীবন যাপন করছি।

126 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন