৫ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার

হিজলার মেঘনায় অভায়াশ্রম কার্যক্রম-গতিহীন

আপডেট: মার্চ ১৫, ২০২১

হিজলা প্রতিনিধি;: তিন মাসের জাটা অভিযান শেষ হতে না হতেই শুরু হলো হিজলার মেঘনায় অভায়াশ্রম কর্মসূচী। বেপরোয়া জাটকা ব্যবসায়ী, জাটকা চোর চক্র। বেড়জাল, চরগড়া, বেন্দিজাল অহরহ চললেও প্রশাসনের জাটকা অভিযান অব্যাহত এমনটাই দাবি স্থানীয়দের। মাঝে মাঝে দু’একটি অভিযান চললেও হালে গতি হচ্ছে না হিজলার মেঘনার। এখানে জাটকা ইলিশ নিধন কারেন্ট জালের অহরহ ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে তো পাচ্ছেই।
উপজেলা মৎস্য প্রশাসনের ভাষ্যমতে ১ মার্চ থেকে ১ মে ২ মাস পর্যন্ত অভায়া¯্রমের কার্যক্রম। তাদের সাধ্যানুযায়ী নদীতে কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন বলে দাবি মৎকর্মকর্তা আঃ হালিম এর।
ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির সভাপতি এনায়েত হোসেন এর দাবি, হিজলার মেঘনায় মাছ রক্ষায় যাদের ভুমিকা থাকার কথা, তাদের ভুমিকাই প্রশ্নবিদ্ধ। উপজেলায় দুটি মৎস্যজীবী সংগঠন রয়েছে। এদের অকার্যকর রেখে আখের গুচাচ্ছেন প্রশাসনের কিছু অসাধু ব্যাক্তিরা। বিষয়টি একাধিকবার উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলেও হালে পানি যা”েছ না।
জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন জানান, হিজলার মুল মেঘনা অরক্ষিত। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নিজেই মাঝির জালে আটকা। বেড় হতে পারছেন না। মুল মেঘনায় বিশাল আকৃতির কারেন্টজাল দিয়ে মাছ আহরণ করছে জেলেরা। ছোট ছোট ডিঙ্গি নৌকা ধরেই নিজেকে জাহির করছেন প্রশাসন। তিন দপ্তরের মাঝিরা তাদের নিয়ন্ত্রণ করছেন। সেখান থেকে বের হতে পারছেনা অভায়াশ্রমের কার্যক্রম এর গতি।
মৎস্যজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার জানান, মাছ আটক, জাল আটক, নৌকা আটক, ট্রলার আটক সবগুলোতে রয়েছে প্রশাসনের কারসাজি। নিজেদের পারফমেন্স বাড়ানোর জন্য এরা মরিয়া। বাস্তবতা ভিন্ন রুপ।
গেল কয়েকদিন ধরে মৎস্যকর্মকর্তা নিজ অফিসে বেশ ক’জন জাটকা ব্যবসায়ী, ট্রলারমাঝি এমনকি দালালদের নিয়ে কয়েক দফা বৈঠক করেন এ কর্মকর্তা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক জেলেদের অভিযোগ, মেঘায় টাকা উড়ছে –কুড়াছে প্রশাসন। এর প্রতি দৃষ্টিনেই কোন পক্ষের।

177 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন