
আপডেট: মে ২৪, ২০২১
সাইফুল ইসলাম,হিজলা:; হালে হাজী, একসময়ের সর্বহারা, কখনও মিজি, কখনও মাঝি, আবার কখনওবা আকন, সময়বুঝে বহুরুপি শাহাজান হাজী। রাজনৈক পরিচয় তিনি বিএনপির চরের নেতা। ক্ষমতায় কোন অংশে কম নন শাহজাহান হাজী।
হিজলা উপজেলার হরিনাথপুর ইউনিয়নের ছয়গাও চর এখন ত্রাসের। ত্রাস বাহিনীর ক্ষমতার কাছে জিম্মি সাধারণ মানুষ। পেশি শক্তি, দলীয় প্রভাব, সর্বহারার ক্ষমতা সব মিলিয়ে এ যেন চরের মধ্যে আর এক জগত। এ ক্ষমতাকে পুজি করে তিনি এখন চরের স-ঘোষিত স¤্রাট।
উপজেলা ভুমি অফিস সূত্রে জানা যায়,চরের বেশির ভাগ জমি খাজনা অযোগ্য। সিকস্তিহেতু এখানে কোন জমিতে সরকারকে কর দিতে হয় না। কেউ এ চরে এক শকত জমির মালিক হয়ে একটু ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারলেই সব। এ যেন আর এক সর্গরাজ্য। রাতারাতি হয়েজান কয়েক শত একর জমির মালিক। এদেরই একজন শাহজাহান আকন ওরফে শাহজাহান হাজি।
শাহজাহন পরিবার সূত্রে জানা যায়, ৯০ দশকে শাহজাহান মিজির হরিনাথপুরের ছয়গাও চরে সর্বহারা দিয়ে গোড়া পত্তন। এর পর থেকে শাহজাহান আকনকে আর পেছন দিকে তাকাতে হয়নি। পরবর্তীকে বিএনপির হাত ধরে জনৈক বিএনপির এক নেতাকে বাবা ডেকে দলীয় নেতার খাতায় নাম লিখান ছয়গাও চরে। এমন তথ্য তার পরিবারের অপর সদস্য বারেক আকনের।
পিতা কালুকে সম্বল করে চরছয়গাও এলাকা পুরো নিয়ন্ত্রনে নেন শাহজাহান। এর পর বেপরোয় হয়ে উঠেন শাহজাহান। সাধারণ সানুষ দুরে থাক নিজ পরিবারকে পৈত্রিক জমি থেকে উচ্ছেদ করেন শাহজাহান হাজি।
হাজি শাহজাহান পরিবারের অপর সদস্য আলতাফ আকন জানান, ৪০ তেকে ৪৫ বছর যাবত পিতার জমি থেকে বিতারিত তিনি। আকন পরিবারের ছয়গাও চরের সম্পর্ন সম্পত্তি পেশি শক্তির জোওে শাহজাহান একক ভাবে ভোগ দখল করছেন। জমিতে গেলেই বিভিন্ন হামলামামলা দিয়ে হেনেস্তা কেরন শাহজাহান। তার অপকর্মকে থানা পুলিশ সহায়তা করছে।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সমাজপতি, ইউপি মেম্বার, বাজার কমিটি সর্বপরি আইনপ্রয়োগকারি সংস্থার কাছে বিচার দিয়ে সুবিচারের পরিবর্তে লাঞ্ছিত হতে হচ্ছে পরিবার দুটোকে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মেম্বার মোজাম্মেলহক বেপারী জানান, লোকগুলো সুবিধাজন না। তাদের পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ, আমরা উভয় পক্ষকে নিবৃত থাকতে বলছি।
আইনপ্রয়োহকারি সংস্থা হিজলা থানার ওসি অসিম কুমার শিকদার জানান, এক পক্ষের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদান্তাধীন রয়েছে।