৩রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার

ধর্মপাশায় এক ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান প্রকল্পের কাজ না করেই টাকা উত্তোলনের তদবির

আপডেট: জুন ৩০, ২০২১

গিয়াস উদ্দিন রানা,ধর্মপাশা(সুনামগঞ্জ)::  সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলাধী চামরদানী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য ওয়াসিল আহমেদ, তিনি বর্তমানে ওই ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও অনুমোদিত প্রকল্পের কাজ না করেই এক প্রভাবশালীর কর্মকর্তাদের নাম ভেঙ্গে দাপটের সহিত বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে প্রকল্পের টাকা উত্তোলন করে আতœসাত করছে বলে অগনিত অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, উপজেলার চামরদানী ইউনিয়নের নির্বাচিত চেয়ারম্যান জাকিরুল আজাদ মান্না চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে টেক্স আদায়ের টাকাসহ বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ না করেই টাকা উত্তোলন করে আতœসাত করে আসচ্ছিল।এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে চেয়ারম্যান জাকিরুল আজাদ মান্নার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমানিত হলে, তার চেয়ারম্যানি চলে যায়। পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মুনতাসির হাসান উক্ত ইউপির সকল সদসের উপস্থিতিতে সকলের মতামত নিয়ে উক্ত ইউপির ৮নং ওয়ার্ড সদস্য ওয়াসিল আহমদকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেন।
ওয়াসিল আহমেদ চেয়ারম্যানের দায়িত¦ পেয়েই সে বেপরোয়া হয়ে উঠে। অনুমোদনকৃত প্রকল্পের কাজ না করেই প্রকল্পের বরাদ্দকৃত টাকা উত্তোলন করে আতœসাতকরে আসচ্ছে বলে ওই ইউনিয়নের সচেতন মহল জানিয়েছেন। তার অনুমোদিত প্রকল্পের কাজে কতটুকু বাস্থবায়ন হয়েছে। এসব বিষয়ে স্থানীয় সাংবাদিকরা জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ওয়াসিল সাংবাদিকদের প্র¯েœর উত্তর না দিয়ে দাপটের সহিত সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর নাম ভেঙ্গে একপ্রকার হুমকী দিয়ে চলছে।২০২০-২০২১ অর্থবছরে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি প্রকল্পের দ্বিতীয় বরাদ্দে চামরদানী ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে মাটি ভরাটের জন্য ৫টি প্রকল্প অনুমোদন হয়। এর মধ্যে চামরদানী গ্রামের আলী উসমানের বাড়ি হতে ধীরেন্দ্র এর বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা মেরামত ও আলীহারপুর গ্রামের ইছব এর বাড়ির পিছন হতে সড়ক পর্যন্ত রাস্তা মেরামত হলেও বিশারা গ্রামের ভিতর রাস্তা, বদলপুর হতে আতাকান্দার জাঙ্গাল ও নন্দীপাড়া কামারগাঁও গ্রামের ব্রীজ সংলগ্ন রাস্তার কাজ হয়নি।
কাবিটা প্রকল্পের অর্থায়নে অনুমোদিত মেরীমারা গোপাটের নদীর ঘাট হতে নলগড়ার কান্দা মাটি ভরাট ব্যয় ২ লাখ ৫৭ হাজার টাকা, অপরটি রেহান মিয়ার বাড়ি হতে শফিকুলের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার ব্যয় ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। ওই দুইটি প্রকল্পের পিআইসি কে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান ওয়াসিল বলে ওই প্রকল্পের পিআইসি সংরক্ষিত ৪,৫,৬ নং ওয়ার্ড মহিলা সদস্য আলেয়া বেগম। তার নামে কোন প্রকল্প নেই। সংরক্ষিত মহিলা আলেয়া বেগমের সাথে গত রাত তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে জানতে চাইলে সে বলে ওই প্রকল্পের কাজ ৬নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য বকুলকে দিয়ে মাটি কাটিয়েছি।
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ওয়াসিল মিয়ার দাপটের বিষয়টি জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মুনতাসির হাসান তিনি বলেন, এসমস্ত ব্যক্তিরা আমার কাছে প্রশ্রয় পায়নি। প্রকল্পের কাজে অনিয়ম করলে কোন চার নেই।
সাক্ষাতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ওয়াসিল এই আছে এই নেই সাক্ষাতে তার সাথে কথা বলার সুযোগ নেই তার মোবাইল ফোনটিও সবসময় বন্ধ থাকে।

236 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন