১৮ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার

শিরোনাম
বরিশাল শায়েস্তাবাদ চুড়ামন কমিউনিটি ক্লিনিকে থাকেনা ডাক্তার থাকেনা থোলা! দেখার কেউ নেই (পর্ব-১) ছাতা ধরে রাখলেন তরুণী রিকশাচালকের মাথায় হিজলার মেঘনায় ভাঙ্গন শুরু-ঝুকিতে পাঁচটি স্কুল-হুমকির মুখে উপজেলা প্রশাসনিক ভবণ সরকারের পূরণ হতে পারে মন্ত্রিসভার ‘শূন্যস্থান’ শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ১৪৭ তম জন্মবার্ষীকিতে জীবন কর্মে পথচলা তথ্য হিজলা ডাক বিভাগের দুর্নীতির-অনিয়মের হালখাতা খুলছে ডাক বিভাগ – পর্ব ০২ আই ডি এল সি ফাইন্যাস সরকারি নির্দেশ অমান্য করে আদায়ের করে কিস্তি ,মাঠ কর্মীদের দেখে ব্যবসায়ীরা পালায়! (২য় পর্ব) বরিশালের  হিজলার মানচিত্রে শকুনের থাবা॥একক আসন মেহেন্দিগঞ্জ !(১ম পর্ব) বরিশাল হিজলায় রাজনীতি না ভিক্ষা চুরি নীতি

হিজলার মেঘনায় ডাকাতি-চার ডাকাত আটক

আপডেট: জুলাই ২৭, ২০২১

হিজলা প্রতিনিধি ::নিয়ন্ত্রনহীন হিজলার মেঘনা। থামছেনা এখানকার নৌডাকাতি। বেপরোয়া ডাকাতদল।প্রশাসনের ছত্রছায়ায় ফুলে ফেপে কলাগাছ।
স্থানীয় জামের মেম্বার, ইসমাইল সরদার, হাবিবুর রহমান সরদার ও ভুক্তভোগী বাদশা সরদার জানান সোমবার রাত দশটার দিকে হিজলার বড় মেঘনা খালিশপুর এলাকায় জালফেতে জান বাদশা সরদার। হঠাৎ করে প্রতিপক্ষ সুজন তাদের উপর চড়াও হন। একপর্যায় তাদের উপর উপর্যুপরি হামলা চালায় সুজন গ্রুপ। বাদশাহকে আহত করে নৌকায় থাকা নগদটাকা মাছ, জাল এবং ট্রলারে থাকা যাবতীয় সম্পদ লুট করে পালিয়ে যায় সুজন গ্রুপ। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হিজলা স্বাস্থ্যকম্প্লেক্সে ভতি করে।মঙ্গলবার দশটার দিকে সুজনদের সন্ধান মিলে হিজলাগৌরব্দীর একতা বাজার এলাকায়। সেখান থেকে জনতা তাদের চার জনকে আটক করে পুলিশে দেয়।


নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যাক্তি জানান, হিজলার মেঘনায় বেশ ক’টি পুলিশ এসাল্ট মামলা হয়। এদের নাটের গুরু মেমানিয়ার জাকির মাঝি,সুজন, ইউসুফ,খলিলগংরা। এরাই এদর নিয়ন্ত্রক ও পৃষ্টপোষাক। নদী কেন্দ্রীক প্রশাসন এদের শেল্টার দিয়ে থাকে বলে তাদের অভিযোগ।
স্থানীয়দের অভিযোগ নদীকেন্দ্রিক প্রশাসন নিজেরদের আরাম আয়েশের জন্য উপজেলা বেছে নিয়েছে। তারা এখান থেকে 50 কিলোমিটার দুরে থেকে বিশাল মেঘনা পহারা দেয়া মোটেও সম্ভব না। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না। বরং এরা তাদের ছত্র ছায়ায় মেঘনায় নেয়মিত ডাবাতি ছিনতাইএর মতো কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।ইতোমধ্যে হিজলার মেঘনা অশান্ত বিরাজ করছে। কোষ্টগার্ড অথবা নৌ পুলিশের একটি টিম নিয়মিত হিজলার মেঘনার বুকে থাকলে এমনটা ঘটতনা বলে মনে করছেন তারা।
এদিকে হিজলা নৌ পুলিশের এস আই মজিবুর রহমান জানান বিষয়টি অবগত হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

272 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন