
আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২১
সাইফুল ইসলাম,:; হিজলাউত্তোরে বন্যার ডামাঢোল। দক্ষিণে অবিরাম বৃষ্টি। মাধ্যমে বরিশালের শেষ সীমানা পদ্মা, যমুনা এবং মেঘনার মিলন মেলায় হিজলা উপজেলা। চাঁদপুর, শরীয়তপুরে পানি বন্যার ডামাঢোল সৃষ্টি হয়েছে। রাক্ষুসী মেঘনা হিজলাকে আকড়ে ধরছে। নদীভাঙ্গার সাথে যুদ্ধ করে বেচেঁ থাকা হিজলাবাসীর বুকে শঙ্কা-ভয় কাজ করছে।
আসছে তেড়ে উত্তরের বান- চাঁদপুরের মেঘনা যমুনার পানি বৃদ্ধিতে ব্যাপক ভাঙ্গনের স্বীকার পুরো হিজলা উপজেলা। উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন ব্যাপক ভাঙ্গনের স্বীকার।

হিজলা উপজেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের দু জন গ্যাজ মাষ্টার জানান হিজলায় গত তিন দিন ধরে বিপদসীমার বেশ উপর দিয়ে উত্তরের বানের পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে করে হরিনাথপুর, কাইছমা, পুরাতন হিজলা, বাউশিয়া ধুুলখোলা, আলীগঞ্জসহ হিজলায় ব্যাপক নদী ভাঙ্গনের স্বীকার।
হিজলা উপজেলা সদর বড়জালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন হাওলাদার জানান, হিজলা উপজেলা পরিষদ প্রশাসনিক ভবন এখন ঝুকিপূর্ন। এখানে পানি উন্নয়ন বোর্ড বিগত বছর বাঁধ রক্ষায় বেশ কিছু কাজ করলেও এ বছরের তা আর দেখা মিলেনি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের ব্যর্থতার কারণে উপজেলা এখন হুমকীর মুখে। ইতোমধ্যে হিজলা সরকারি প্রাথমিব বিদ্যালয়, পুরাতন হিজলা বন্দর, মসজিদসহ চারটি প্রাথমিক বিদ্যালয় এখন মেঘনার পেটে। প্রতিদিন শত শত বাড়ি মেঘনায় গিলছে।
হিজলা উপজেলার হরিনাথপুর ইউপি চেয়ারম্যান তৌফিকুর রহমান জানান, তার ধনুশিকদার বাজারসহ বেশ কষ্ফটি স্কুল এখন নদীগর্ভে বিলীন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজের ধীরগতিতে ভাঙ্গন থামছে না।
ধুলখোলা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবার হোসেন মাতুব্বর জানান, আলীগঞ্জ বাজার, স্কুল, মাদ্রাসা প্রতিদিন নদীতে গিলছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড বিষয়টি দেখছেন। তদারকিতে ঘাপলা রয়েছে বলে তার দাবি।
অপরদিকে হিজলাগৌরব্দী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মিলন জানান, চাঁদপুর মোহনায় মেঘনার পেটে আমরা। দিনে দুবার পানির নীচে তলিয়ে থাকি। এর ওপর ব্যাপক নদী ভাঙ্গন। দিশেহারা এখানকার সাধারণ মানুষ। এদের রক্ষায় আমরা ব্যার্থ। শুধু ত্রাণ দিয়ে এদের রক্ষা করা মোটেরও সম্ভব নয়। এদের জন্য চাই দির্ঘস্থায়ী বাঁধ। বার বার সরকার থেকে বলা হলেও কাজেরকাজ কিছুই দেখছি না।