১৮ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার

শিরোনাম
বরিশাল শায়েস্তাবাদ চুড়ামন কমিউনিটি ক্লিনিকে থাকেনা ডাক্তার থাকেনা থোলা! দেখার কেউ নেই (পর্ব-১) ছাতা ধরে রাখলেন তরুণী রিকশাচালকের মাথায় হিজলার মেঘনায় ভাঙ্গন শুরু-ঝুকিতে পাঁচটি স্কুল-হুমকির মুখে উপজেলা প্রশাসনিক ভবণ সরকারের পূরণ হতে পারে মন্ত্রিসভার ‘শূন্যস্থান’ শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ১৪৭ তম জন্মবার্ষীকিতে জীবন কর্মে পথচলা তথ্য হিজলা ডাক বিভাগের দুর্নীতির-অনিয়মের হালখাতা খুলছে ডাক বিভাগ – পর্ব ০২ আই ডি এল সি ফাইন্যাস সরকারি নির্দেশ অমান্য করে আদায়ের করে কিস্তি ,মাঠ কর্মীদের দেখে ব্যবসায়ীরা পালায়! (২য় পর্ব) বরিশালের  হিজলার মানচিত্রে শকুনের থাবা॥একক আসন মেহেন্দিগঞ্জ !(১ম পর্ব) বরিশাল হিজলায় রাজনীতি না ভিক্ষা চুরি নীতি

প্রশাসনের ৫৫ কর্মকর্তা শাস্তি পেয়েছেন

আপডেট: সেপ্টেম্বর ৭, ২০২১

বিজয় নিউজ:: বর্তমান সরকারের মেয়াদে ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রশাসনের ৫৫ জন কর্মকর্তাকে লঘু ও গুরুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে ৪৯টি মামলা চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে ‘বিএসআরএফ সংলাপ’ অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী। বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) এ সংলাপের আয়োজন করে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রশাসন ক্যাডারের ৫৫ জন কর্মকর্তাকে লঘু ও গুরুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আর শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য ৪৯টি মামলা চলমান রয়েছে।

সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে রাজনীতিকদের মতানৈক্য নিয়ে এক প্রশ্নে ফরহাদ হোসেন বলেন, কয়টি ঘটনা ঘটেছে সেটা দেখা দরকার। বরিশালে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। করোনার মধ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। অত্যন্ত আন্তরিকভাবে জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তারা কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা বেশি জনমুখী হয়েছি। দু’এক জায়গায় যে ঘটনা ঘটেছে তদন্ত করে বিষয়গুলো বোঝার চেষ্টা করছি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসিল্যান্ড অফিসে অনেক ঝামেলা ছিল, এখন ডিজিটালাইজেশনের কারণে সেই ঝামেলা নেই। এখন ৯৫ শতাংশ কর্মকর্তাই সফল হচ্ছে। ৫ শতাংশ কর্মকর্তা কমিউনিকেশেনের জন্য… সুন্দর করে বললে এমন হতো না। কাউকেই তার আইনি এখতিয়ারের বাইরে আচরণ করা উচিত না।

আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের স্যার বা ম্যাডাম বলতে হবে এমন কোনো রীতি নেই। স্যার শব্দের বাংলা অর্থ মহোদয়, আর ম্যাডাম শব্দের অর্থ মহোদয়া। রুলস অব বিজনেসে এটা নেই।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কীভাবে কাজ করতে হবে- সে বিষয়ে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনাগুলো তুলে ধরেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, জাতির পিতার নির্দেশনা ছিল যারা সেবা নিতে আসেন তাদের দিকে তাকাও, তারা তোমার বাবার মতো, ভাইয়ের মতো, আত্মীয়ের মতো। সেবা নিতে আসে জনগণ। তাদের টাকায় তোমাদের বেতন হয়।

‘বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনা আমরা বাস্তবায়ন করতে চাই। বিভাগীয় কমিশনার থেকে মাঠ প্রশাসনকে আমরা সেই নির্দেশনা দেই। জনগণের সঙ্গে মিশে যেতে হবে। সেক্ষেত্রে এখানে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। হাসিমুখের অ্যাটিচিউটটা খুব ইমপরটেন্ট। দুর্ব্যবহার দুর্নীতির শামিল, এটা কখনো করা যাবে না। আইনের মধ্যে থেকে সাধ্যমতো সেবা দেওয়ার অ্যাটিচিউড থাকতে হবে। কর্মকর্তারা যাতে এটি মেনে চলেন’ বলেন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

39 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন