
আপডেট: মে ৩১, ২০২২
সাইফুল ইসলাম :: ভাঙছে মেঘনা আসছে বন্যা। তিন নম্বর সতর্কসংকেত।উদ্ধাস্তু গৃহহীন মানুষের আহাজারি। স্কুল, রাস্তা একে একে একে বিলীন। বিলীন বিস্তিৃর্ন গ্রাম। লোভি ঠিকাদারের মন ভরছেনা। মানুষ এবং মানবতা এখানে মূল্যহীন। বলছিলাম হিজলা উপজেলার ভাঙ্গন পারের কথা।
বেশ কিছু দিন আগে হিজলা উপজেলা রক্ষার্থে স্থানীয় এমপি, পানি সম্পদমন্ত্রনালয়ের অতিরিক্তসচিব, স্থানীয় কৃতি সন্তান এ্যাডঃ মাহাবুব আলম দুলাল, ভাষা সৈনিক আব্দুল কুদ্দুছ নায়েব, এনায়েত হোসেন হাওলাদারসহ পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে হিজলা উপজেলা রক্ষার জন্য ৩ কোটি টাকার জিও ব্যাগের ব্যাস্থা করেন।
প্রতিমন্ত্রি, এমপি, অতিরিক্ত সচিব এর আশ্বাসে বিশ্বাস মিললেও আস্থা রাখতে পারছেন না হিজলা উপজেলার ভাঙ্গন পারের সাধারণ মানুষ।
ইতোমধ্যে নদীবন্দরগুলোতে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত দিয়েছে নদীবন্দর ও আবহাওয়া অফিস। ভয়ে কাপছে হিজলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বকুল চন্দ্র কবিরাজ, উপজেলা শিক্ষা অফিসার। মেঘনার পেটের ভেতর দাড়িয়ে আছে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এটি রক্ষার জন্য জরুরী ভিত্তিতে সরকার জিওব্যাগগুলো বরাদ্ধ প্রদান করেন। এখন যা দেখছি আমাদের বিদ্যালয় রক্ষাতো দুরের কথা, নিলাম দেওয়াই কঠিন হয়ে পড়ছে।
ঠিকাদার কি করছেন তা আমাদের বোদগম্য নয়। এমন বক্তব্য উপজেলা প্রশাসনের। ভাঙ্গনকবলিত স্থানে বালি এনে রাখলেও তা দেখেই আমরা শান্ত।
এদিকে সাব ঠিকাদার নুর ইসলাম জানান, ইতোমধ্যে বালু এনে রাখা হয়েছে। কাজ চলমান রয়েছে।
অপর ঠিকাদার লুৎফর রহমান তালুকদার মনটু জানান, তিন কোটি টাকার কাজ চলমান রয়েছে। দু এক দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে চান তিনি।
স্থানীয়দের দাবি ঠিকাদারের গাফিলতিতে উপজেলা রক্ষাই দায়।এখন পর্যন্ত একমুঠো বালু ভাঙ্গনপাড়ে ফেলতে পারেনি ঠিকাদার। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী যে বালু বস্তা ভরার কথা সে বালি এখানে অনুপস্থিত। এখন থেকেই কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি দেয়া প্রয়োজন।