২৫শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার

হিজলায় পুলিশ সেল্টারে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে গাজা ব্যবসায়ী

আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০২২

বিজয় নিউজ :: গাজা ধরে নিজেরাই অপরাধী। পুলিশের এ কেমন আচরণ। পুলিশ কোনো পক্ষের হয়ে কাজ করছে নাতো? এমন প্রশ্ন এলাকার সচেতন মহলের। ৬ দিনেও মামলা হয়নি।

১২ আগষ্ট শুক্রবার রাত ৮ দিকে উপজেলার হিজলা গৌরবদী ইউনিয়নের চরকুশরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।জানা যায় চরকুশরিয়া গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে জাহাঙ্গির (৩০) এবং হারুন মাঝি (৩০) দির্ঘ দিন গাজার ব্যবসার সাথে জরিত। এদের নেটওয়ার্ক সুদুর বেনাপোল, যশোর, কুমিল্লা, চট্ট্রগ্রাম, নোয়াখালি পর্যন্ত বিস্তিৃত। বোবা রত্তন পুত্র লিটন, উজ্জ্বল, এবং ইয়াবার প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী জয়নালের সাথে সরাসরি সংযোগ। এমন অভিযোগ এলাকার মেম্বার জাহের আকন, চৌকিদারমন্নান সহ সচেতন মহলের। পুলিশ বলছেন ভিন্ন কথা।

পুলিশ এবং গাজা ব্যবসায়ী জাহাঙাগীরের দাবি, তাদের অকারণে ইউপি সদস্যে জাহের আকনের শ্যালক খলিল মাতুব্বর, জাহের মাতুব্বার, সবুজ মাতুব্বর সহ ৭/৮ জন তাকে গাজা ব্যবসায়ী সাজিয়েছেন। মারধর ও করেছেন।। পরে পুলিশ গিয়ে আহত জাহাঙ্গির কে হিজলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

এ ঘটনায় হিজলা গৌরবদী ইউপি সদস্য জাহের আকন জানান, জাহাঙ্গির বিভিন্ন নোয়াখালী, যশোর এবং জাহাঙ্গীরের একাধিক আত্মীয় জাকির, বাকেরসহ অনেকে বেনাপোলে অবস্থান করেন। ঔদিন সন্ধ্যায় তার সাথে অপর গাজা ব্যবসায়ী হারুন মাঝি তাঁরদের মাধ্যমে হিজলা উপজেলা সহ আশপাশের উপজেলায় গাজা, ইয়াবা সরবরাহ করেন। বিষয়টি অনেক আগ থেকেই তাকে জানানো হয়। জানানো হয় পুলিশ প্রশাসনকে। ঘটনার দিন সন্ধ্য ৮টার দিকে আঃ ছত্তার তালুকদার মেমোরিয়াল হাইস্কুলের মোড়ে তাদের স্থানীয়রা আটক করে।সটকে পরে হারুন মাঝি। পরে তার শ্যলকসহ অন্যান্যরা এগিয়ে যায়।  স্থান থেকে গাঁজা এনে বিক্রি করে। এ বিষয়টি আমার চাচাত সালারা আগেই বলছে। তাই তারা গাঁজা সহ ধরে মারপিট করছে। স্থানীয়দের দাবি জাহাঙ্গীর এবং হারুন মাঝির কাছ থেকে উদ্ধারকৃত গাজা গেল কই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক গাজা ব্যবসায়ী জানান, জাহাঙ্গীরের সাথে তার দির্ঘদিনের গাজার ব্যবসা। সে লাভের আশায় তাকেও ফাঁদে ফেলেছে। তার রয়েছে পুলিশের সাথ্যে সখ্যতা। মাসিক মাসোহারা দিয়েই ব্যবসা করেন জাহাঙ্গীর। যে তারণে পুলিশ তাকে সেল্টার দিচ্ছে।

হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইউনুস মিয়া জানায় এ ঘটনার সংবাদ পেয়ে তৎক্ষনিক পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সেখানে জাহাঙ্গিরের সাথে গাঁজার সম্পৃত্ততা পাওয়া যায়নি। জাহাঙ্গীর অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

224 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন