২৫শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার

হিজলায় চোরাই গরু উদ্ধার-আটক ২

আপডেট: আগস্ট ১৮, ২০২২

সাইফুল ইসলাম  :: হিজলা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে হিজলাগৌরব্দী থেকে ২ চোর এবং ৪ গরু উদ্ধার করেছে হিজলা থানা পুলিশ। মামলা প্রক্রিয়াধীন।
হিজলা থানা পুলিশের এস আই সোহাগ রানা জানান, ১৭ আগষ্ট বুধবার হিজলা থানার বিশেষ অভিযান ছিল হিজলা গৌরব্দীতে। রাতভর ঐ অভিযানে অংশ নেন সাংবাদিকও। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইউনিয়নের সংকর পাশা এবং কাকুরিয়া গ্রামের হাশেম রাড়ির বাড়ি তল্লাশি করে ২টি চোরাই গরু উদ্ধার করা হয়। অপর দিকে একই রাতে পার্শ্ববর্তী সাদ্দাম হোসেন সাদুর বাড়ি থেকে অপর দুটি গরু উদ্ধার করা হয়। ৪টি চোরাই গরু এবং এবং দু আসামীকে হিজলা থানায় রাতেই নিয়ে আসা হয় বলে দাবি পুলিশের। এদের বিরুদ্ধে মামলা চলমান রয়েছে। তবে গরুর প্রকৃত মালিকের সন্ধান মিলেনি।
হিজলা উপজেলায় দির্ঘ দিন ধরে গরু চুরির হিড়িক চলছিল। গত সপ্তাহে ও ৬টি গরু উদ্ধার করে থানা পুলিশ। ঐ গরুগুলো স্থানীয় কবির শিকদার নামের এক ব্যাক্তির কাছে সংরক্ষণ করেন থানা কর্তৃপক্ষ। এর পর আর হদিস মিলেনি গরু কিংবা চোরের।
৪ গরুর মালিক সন্তু বাবু (সরকার) জানান, তিনি কিছু টাকা জরিমানা দিয়ে গরু একটি গরু তার জিম্মায় নিয়ে আসেন। চোরের সম্পর্কে তার ধারণা নেই।
কবির শিকার জানান, গরুর মালিক তার কাছে আসছে। চেয়ারম্যানের সহায়কতায় মালিকদের ফেরত দেন। টাকা পয়সা লেনদেনের বিষয় তার জানা নেই।
ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান সরদার জানান, অভিযান সম্পর্কে তিনি কিছুই জানে না।পুলিশ আসে ধরে মারে খায়।
ইউপি সদস্য জাহের আকন জানান, দিনকয়েক আগে চোর খালেকের পুত্র মজু বেপারী, সবুজ বেপারী বেশ কিছু গরু চুরি করে নিয়ে আসে।ঐ চোরাই গরুরসহ চোরাকে ধরে তিনি বিপাকে। কোন পক্ষ সহযোগিতা করেননি। চোরের পক্ষেই সবাই। তাই খবর রাখি নাই।তেবে শুনেছি ১০টি গরু রাতে পুলিশ এবং সাংবাদিক নিয়ে গেছে।
ইউপি সদস্য আলাউদ্দি জানান, পুলিশ সাংবাদিকদের অভিযান বিষয় তিনি কিছু জানে না। তবে সকালে এস আই সোহাগ এর সাথে কিছু পুলিশ এসে কাকুরিয়ার বাসায় জানায়। তার জানামতে ১০টি গরু আটক করা হয়েছে।থানায় কয়টি গেছে তা তার জানা নেই। সংকরপাশা গ্রামের জয়নাল রাড়ির পুত্র সাদু ওরফে সাদ্দাম এবং খোরশেদ রাড়ির পুত্র হাশেম রাড়িকে পুলিশ থানায় নিয়ে গেছে। গরুচোর সবুজকে আটকাতে সক্ষম হয়নি পুলিশ।

539 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন