
আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০২২
সাইফুল ইসলাম :: গ্রাম হবে শহর এ ধারা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে হিজলার দুর্গম চরাঞ্চল মেমানিয়ায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মা ও শিশু হাসপাতাল। এটি এখন উদ্বোধনের অপেক্ষায়। অপেক্ষার প্রহর গুনছে মেমানিয়া, হিজলাগৌরব্দী, ধুরখোলা এবং হরিনাথপুরের চরাঞ্চলের খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ।
এলাকায় বসবাসকারী মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বরিশালের হিজলা উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নে দশ শয্যা বিশিষ্ট( মা ও শিশু ) হাসপাতালটি এখন শুধু উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। হিজলা উপজেলা সদর থেকে বিচ্ছিন্ন নদী বেষ্টিত দুর্গম এলাকায় নির্মিত এই হাসপাতালটি চালু হলে শুধু মেমানিয়া ইউনিয়নের জনগণই নয়, এর সাথে উপকৃত হবে হিজলা গৌরব্দী ইউনিয়ন, ধুলখোলা ইউনিয়ন এবং হরিনাথপুর ইউনিয়নের সিংহভাগ মানুষ।
৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ হাসপাতালের শতভাগ কাজ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মাইশা এর কর্তৃপক্ষ।
নব নির্নিত এ হাসপাতালটি চালু হলে চিকিৎসা সেবা বঞ্চিত মানুষের ভোগান্তি অনেকটা কম হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় চার ইউনিয়নের বাসিন্দারা।
মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ নাসির উদ্দিন হাওলাদার বলেন, হাসপাতালটির উদ্বোধন হয়ে গেলে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। এ অঞ্চলের মানুষগুলোকে এখন আর প্রমত্তা মেঘনা পারি দিয়ে হিজলায় যেতে হবে না। মেমানিয়া ইউনিয়ন বাসির পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য পংকজ নাথের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ ফাতেমা মাহজাবীন বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে এ হাসপাতালের উদ্বোধন কার্যক্রম শেষ করে জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে।
হিজলা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি ও হিজলা উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মাষ্টার আলতাফ হোসেন জানন, এমপি পংকজ নাথ জনবান্ধব নেতা। চরের জনগণের ভোগান্তির কথা চিন্তা করেই হিজলার চার ইউনিয়নের মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় এমপির এ প্রচেষ্টা। এখন থেকে এ অঞ্চলের মানুষকে প্রমত্তা মেঘনা পারি দিতে হবে না।