
আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২২
সাইফুল ইসলাম :: হিজলা উপজেলার বিভিন্ন ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ সরকারি বেসরকারি শিক্ষালয়ে ফলজ চারা বিতরণ করেন ঝালোকাঠির কৃতি সন্তান ক্যাপটেন প্লানেটের সত্ত্বাধীকারি শামসুল হক মনু। একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যাবসায়ী। প্রথম শ্রেনীর করদাতা, জেলা রোটারিয়ান।
ভবিষ্যতে ওরাই গড়বে দেশ। এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সমাজ এবং পরিবেশ রক্ষায় অবদান রাখতে তার এমন ভুমিকা। নিজের বাড়িকে করেছেন প্রকৃতির নির্মল পরিবেশ।নিজের ঝালোকাঠির বাসস্থান শাহিমহলে চলছে পাখিদের অবাধ বিচরণ।মানুষের পাশে মানুষ দাড়ায় এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু পরিবেশ প্রকৃতির পাশে মানুষের বিচরণ যত সামান্য।
আমাদের মনু ভাই, তিনি ব্যাতিক্রম।শাহিমহলে রয়েছে বিভিন্ন বনজ, ফলজ বৃক্ষের সমাহার। তার ফাকে রয়েছে পাখিদের কিচির মিচির আড্ডা। সেখানে গেলে দেখা মিলে দেশের বিভিন্ন আনাচেকানাচে থাকা নানা প্রজাতির পাখির বাস। এদের জীবন এবং জীবীকার জন্য তাঁর রয়েছে অসামান্য অবদান।বাড়ির বাগানে ঝুলছে কলার ছড়ি। পাখিরা সেখানে নিজের মনে করে খাচ্ছেন ফল। এ যেন মনুর প্রতি পাখিদের আবদার। আর সে আবদার রক্ষা করছেন শামসুল হক মনু।
জীবনে অনেক সখ করেছে। সৃষ্টিকর্তা অনেক দিয়েছেন। এর প্রতি সমাজের বিভিন্ন শ্রেনী পেষার মানুষের অধিকার রয়েছে। সে দিকটার কথা চিন্তা করেই তাঁর ক্যাপটেন প্লানেটের উদ্দ্যোগ। এর মাঝেই বেঁচে থাকতে চান।
গরীব অসহায় মানুষের অধিকারের কথা মাথায় রেখে আমার ক্যাপ্টেন প্লানেটের উদ্দ্যোগ। এর মাঝে নিজ জেলা ঝালোকাঠিতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রতি বছর ফলজ চারা বিতরণ করেন।
এ বছর বরিশালের হিজলা উপজেলায় ইকবাল হোসেন পিপল চেধৈুরীর মাধ্যমে কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলের চারা বিতরণ করেন।