
আপডেট: সেপ্টেম্বর ৭, ২০২২
বিজয় নিউজ::বরিশাল সদর উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা আ: মজিদ বিশ্বাসর স্তী কামরুন্নাহার কাজল ও তার ভাই মাসুদকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক সদস্য নজরুল ইসলামের কর্মীদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার মৌলভীরহাট বাজারে এ ঘটনা ঘটে। ওই দিন রাতেই বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভূক্তভোগী মাসুদ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান।
নারী মুক্তিযোদ্ধা কামরুন্নাহার কাজল জানান, তার দুই ভাই খোকন হাওলাদার ও কামরুজ্জামান মাসুদের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। সেই ঘটনার মিমাংসার জন্য গত মাসে স্থানীয় চেয়ারম্যান জাহিদ বরাবর আবেদন দেন বড় ভাই খোকন। বিরোধ সম্পর্কে জানতে সোমবার সকাল ১০টায় ৬ জন ইউপি সদস্য মাসুদের বাড়ি গেলে তাদের সঙ্গে যোগ দেন চাঁদপুরা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম। তারা ফেরার পথে বাড়ি গেটে অবস্থানকালে মাসুদের চাচাতো ভাই আবদুল হক হাওলাদারকে ‘পাগল’ বলে সম্মোধন করেন সাবেক ইউপি সদস্য নজরুল। তখন অন্যান্য ইউপি সদস্যদের সামনে নজরুলের বক্তব্যের প্রতিবাদ করেন মাসুদ। এসময় মাসুদের সঙ্গে নজরুলের তর্ক হয়।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনার পর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আমার (কাজল) ভাই মাসুদ ও তার স্ত্রীকে নিয়ে উপজেলার মৌলভীরহাট হয়ে বাকেরগঞ্জের আত্মীয়ের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। তখন সাবেক ইউপি সদস্য নজরুলের সহকারী মনির ডাক দিয়ে মাসুদকে বলেন ‘ভাই কথা শোনেন’। কথা বলার একপর্যায়ে মনির ও সাবেক ইউপি সদস্য নজরুলের ভাইয়ের ছেলে শাহিন, মিরাজসহ ৬-৭ জন মাসুদকে মারধর করতে শুরু করে। তখন মাসুদকে রক্ষা করতে গেলে তাকে (কাজল) মারধর করে মাটিতে ফেলে দেয়। এতে তার হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পান। এ ঘটনার সময় দুইটি স্বর্ণের চেইন ও ২০ হাজার টাকা খোয়া গেছে বলে অভিযোগ ভূক্তভোগীদের।
সাবেক ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম জানান, আমার সঙ্গে মাসুদের তর্কাতর্কির বিষয়টি আমার ভাই ছেলেরা বিভিন্ন মাধ্যমে শুনেছে। ঘটনার দিন তারা মাসুদকে দুই-তিনটা কিলঘুষি দিয়েছে।
বন্দর থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান জানান, এ ঘটনার তদন্ত কাজ শুরু হয়েছে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।