২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার

হিজলার ভিশন কেয়ার হাসপাতালে মালিক পক্ষের দ্বন্দ্বে- রোগি চিকিৎসা বঞ্চিত

আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২২

সাইফুল ইসলাম :: হিজলার ভিশন কেয়ার হাসপাতালের ভিশন রোগে আক্রান্ত। দু’পক্ষে দু-ধারায়। এমডি বলছেন প্রতিষ্ঠান বন্ধ। অংশিদার বলছেন না। বেকায়দায় রোগি।
বৃহস্পতিবার সন্ধায় ভিশন কেয়ার হাসপাতালের চিত্র ভিন্ন। ৪ রোগি হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও এর বিষয় কিছু জানে না মালিক শাহ আলম রিয়াদ। রোগি ছকিনা বেগম আসছেন হিজলার প্রত্যন্তচর হিজলাগৌরব্দী থেকে।আয়াতুন নেছা আসছেন কালিকাপুর থেকে। দু’জন সিজারের রোগি। সকাল ৮টার দিকে তাদের সিজার করানো হয়। এর পর থেকে রাত ১০টা পর্য ন্ত দারকি করছেন একজন নার্স রুবিনা বেগম।দায়িত্বরত চিকিৎসক আরিফা বেগমকে বার বার ফোন দিলেও রিসিফ করেন নি।


ছকিনার মা শাফিয়া জানান সিজারের পর তার মেয়ের একটি ছেলে সন্তান হয়, তা মরা।ডাঃ সকালে আসছে আর দিখিনাই। এখন রক্ত লাগবে।
আয়াতুন নেছার স্বামী আমীর হোসেন জানান, আমরা ডাক্তার চিনি না। এহেনে যারা আছে তারা চিকিৎসা করে।
রুবিনা বেগম জানান, তিনি হাসপাতালে আছেন রোগির কোন সমস্যা হলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা দেন।তিনি কোথা থেকে নার্সিং ট্রেনিং নিয়েছেন ? এমন প্রশ্নে নিরুত্তর নার্স রুবিনা।হাসপাতাল বন্ধ কর্তৃপক্ষ হাসপাতাল বন্ধ ঘোষনা করছেন তা জানেন। উত্তরে না।


ভিশন কেয়ার হাসপাতালের ম্যানেজার জসিম উদ্দিন জানান, এমডি স্যার হাসপাতাল বন্ধ তা জানিয়ে দিয়েছেন। তবে ভাগিদারগণ চালু রাখছেন।এর বেশি জানেন না।
অংশীদারদের পক্ষে রফিকুল ইসলাম সরদার জানান, তিনি মালিক। বললেই প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা যায়! বিষয়টি দিপু শিকদারের সাথে আলাপ করেন।
অপর মালিক শাহানশাহ শামু চৌধুরী জানান, প্রতিষ্ঠানের বিষয় রফিকের সাথে কথা বলেন।
মালিক শাহ আলম রিয়াদ জানান, প্রতিষ্ঠান আমার। আমার দায় এড়ানোর জন্য স্টাপদের রোগি ভর্তি বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। সেখানে কোন ধরনের র্দুঘটনা ঘটলে সে দ্বায় আমি নেব না।বিষয়টি থানায় লিখিত ভাবে অবহিত করা হয়েছে।
হিজলা উপজেলা সদরের প্রাণকেন্দ্র শ্রীপুর গ্রামে বছর খানেক আগে গড়ে উঠছিল ভিশন কেয়ার হাসপাতাল। শুরু থেকে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করে আসছেন প্রতিষ্ঠাতা মালিক শাহ আলম রিয়াদ। লাভের আশায় অংশিদার করেন জামায়াতের তিন সদস্যকে। এতেই বিরোধ।শাহান শাহ শামু, জাহাঙ্গীর বেপারী, রফিকুল ইসলাম সরদার।
চার মালিকের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মারা মারি, পরবর্তীতে শালিশ বৈঠক হয় দফায় দফায়। এতেও কোন কাজ হয়নি। পরবর্তীতে বিষয়টি হিজলা থানায় গড়ায়।

329 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন