২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার

হিজলার খালিশপুরে জেলে-পুলিশ সংঘর্ষ-আহত ৫-আটক-৯

আপডেট: অক্টোবর ১৩, ২০২২

সাইফুল ইসলাম :: খালিশপুরে মেঘনায় জেলে পুলিশ সংঘর্ষ। হিজলার মেঘনায় মা ইলিশ রক্ষা অভিযানে জেলে পুলিশের সংঘর্ষে আহত ৫।৯ জেলেকে আটক করেছে প্রশাসন।
বরিশালের হিজলা ৭ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন মা ইলিশ রক্ষা অভিযান চলমান।এ সময় সকল প্রকার মাছ শিকার, মজুদ ও বেচা-কেনা নিষিদ্ধ। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে হিজলা মেঘনা নদীতে বিভিন্ন এলাকায় ইলিশ শিকার অব্যাহত রেখেছে সংঘবদ্ধ জেলেরা। কখনো কখনো এ সকল জেলেরা অভিযানকারী দলের উপর মারমুখী হয়ে উঠছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ রয়েছে প্রশাসনের লোকদের উপরেও। কেউবা জেলেদের মাছ শিকারে উৎসাহ যোচ্ছেন। কেউবা জেলেদের সাথে আতাতের সাথে মা ইলিশ হত্যা করে চলছে।


আজ বৃহস্পতিবার ভোর আনুমানিক ৫ টার দিকে হিজলা উপজেলার হিজলাগৌরব্দী ইউনিয়নের খালিশপুর এলাকায় মেঘনা ইলিশ শিকার বন্ধে অভিযান চালাতে গিয়ে জেলেদের প্রতিরোধের মুখে পড়ে হিজলা থানা পুলিশের একটি দল। জেলেদের হামলায় আহত হন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্ত এম এম পারভেজ, হিজলা থানা পুলিশর এস আই মোঃ ফরিদ উদ্দিন পুলিশ সদস্য মাহফুজ, মৎস্য অফিস নাইটগার্ড রাকিব, বারেক মোল্লাসহ অভিযান থাকা একাধিক সদস্য।ঐ সময়ে ৯ জন কে আটক করতে সক্ষম হন পুলিশ।

এর আগেও মেঘনায় কোষ্টগার্ড, নৌ পুলিশ, মৎস্য বিভাগসহ বেশ ক’টি দপ্তরের লোকজন জেলেদের হামলার শিকার হন। হত্যারমতো ঘটনাও ঘটে ঐ স্থানে। এ নিয়ে বেশ কয়েকটি মামলাও হয়।প্রশাসনের দুর্বলতার কারণে সে মামলা আর আলোর মুখ দেখে না।
আগামী ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত নদীতে ইলিশ শিকার ও বেচা-কেনা সরকারী ভাবে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও হিজলা উপজেলার, মেঘনা নদীতে মাছ শিকার অব্যাহত রয়েছে।
ওসি হিজলা জানান, তিনি ঘটনার সময় ছিলেন না। তবে রাতে সংঘর্ষের ঘটনায় বাড়তি সহায়তা চাওয়া হয়েছে কিনা সে বিষয়টি মৎস্য কর্মকর্তা জানেন।একটি মামলা হয়েছে মামলা নং ০৪। তারিখ ১৩-১০-২২ খ্রি:।


ওসি নৌ বিকাশচন্দ্র জানান, খালিশপুরের মেঘনায় থানা পুলিশের সাথে সংঘর্ষের ঘটনা শুনেছেন। তবে তাদের অবহিত করা হয়নি।
সিনিয়র মৎস্যকর্মকর্তা পারভেজ রানা জানান, ভোরের দিকে ১৬ পুলিশ ৩টি ট্রলার ও স্পিডবোর্ড সহ তাদের একটি বিশাল টিম ছিল। বাড়তি সহায়তার প্রয়োজন মনে করেনি তিনি। তবে জেলেদের বহর বড় এবং বেপরোয় ছিল। যে কারণে তারা পেরে উঠেননি।
হিজলার খালিশপুরে অভিযান চলাকালিন সময় থেকে একটি মহল উন্মুক্ত মা ইলিশ বেচাকেনা করে আসছিল। ঐ তথ্যের ভিত্তিতে প্রশাসনের হানা। এখান থেকে প্রতিনিয়ত দলীয় প্রভাবখাটিয়ে একটি মহল মা ইলিশ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাচার করে আছিল। যা এখনও চলমান রয়েছে।

146 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন