২৭শে জানুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার

ধর্মপাশায় নীতিমালা লঙ্ঘন করে চলছে তিনটি বীর নিবাসের কাজ

আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০২৩

গিয়াস উদ্দিন রানা,ধর্মপাশা(সুনামগঞ্জ):: সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা ও নবগঠিত মধ্যনগর উপজেলায় ৯টি বীর নিবাসের (আবাসন) নির্মাণকাজ নর্ধারিত সময়ের সাত মাস পরও শেষ করতে না পারায় গত ১৮ অক্টোবর ঠিকাদারের কার্যাদেশ ও চুক্তিনামা বাতিল এবং জামানত বাজেয়াপ্ত করে উপজেলা প্রশাসন।
তবে সরকারী নীতিমালা লঙ্ঘন করে ২/৩ সপ্তাহ ধরে ওই ৯টি বীর নিবাসের মধ্যে ৩টির নির্মাণকাজ ওই ঠিকাদার শ্রমিক নিয়োজিত করে নির্মানকাজ চালিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।
ধর্মপাশা উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,ধর্মপাশা উপজেলা সদর ইউপির কামলাবাজ,মেউহারী, সেলবরষ ইউপির মির্কাপুর, মুদাহরপুর ও নবগঠিত মধ্যনগর উপজেলায় চামরদানী ইউপির সুলেমানপুর বংশীকুন্ডা দক্ষিন ইউপির রৌহা,কালাগড়, বুড়িপত্তন, সুলেমানপুর-এই আট গ্রামের নয়জন অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধার জন্য মুক্তিযুদ্ধবিয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে নয়টি বীর নিবাস (আবাসন) নির্মানকাজের জন্য গত বছরের ২২ নভেম্বর দরপত্র আহবান করা হয়। ১ কোটি ২০ লাখ ৯২ হাজার ৫৫৯ টাকা ব্যয়ে মেসার্স সালেহ্ আহমেদ বিল্ডার্স নামে একটি ঠিকাদোর প্রতিষ্টান। ঠিকাদার মঞ্জুরুল হককে নিমান কাজের কার্যাদেশ দেওয়া হয় গত ২০২১ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারর মধ্যে বীর নিববসের নির্মানকাজ সম্পন্ন করার কথা ছিল। নির্ধারিত সময়ের সাত মাস পরও ঠিকাদার নিবাসের নির্মানকাজ শেষ না করায় গত অক্টোবর মাস ঠিকাদারের কার্যাদেশ ও চুক্তিনামা বাতিল এবং জামানত বাজেআপ্ত করে উপজেলা প্রশাসন।
মেউহারী গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ হাফিজুর রহমান জনকণ্ঠকে বলেন, ঠিকাদারের গাফিলতির কারনে তার জামানত বাজেআপ্ত করেছে উপজেলা প্রশাসন।
এব্যাপারে নবনিযুক্ত উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ভারপ্রাপ্ত ইউএনও অলিদুজ্জামান জনকণ্ঠকে বলেন, এবিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজনিয়ে দেখব।

31 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন