২৩শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার

মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে প্রতারকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন,

আপডেট: জুন ৮, ২০২৩

গিয়াস উদ্দিন রানা,ধর্মপাশা,সুনামগঞ্জ:: মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে প্রতারকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্টিত হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বকুল মিয়ার লিখিত বক্তব্য ও অনুসন্ধানে জানা যায়, তেতুলিয়া ইউনিয়নের পশুখালী গ্রামের রহিছ মিয়া বিগত কিছুদিন আগে হেলাল মিয়ার ৮০০০ টাকা চুরিকরে নিরে যায়। চুরি করার সময় হাতেনাতে ধরা পড়লে ওই গ্রামের বকুল মিয়াসহ গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে রহিছ মিয়া তাঁর চুরির বিষয়টি স্বীকার করে। এর পর থেকে রহিছ মিয়ার লম্পট, প্রতারক ও মাদক ব্যবসায়ী ছেলে সাদ্দাম শেখ জয় ক্ষিপ্ত হয়ে বকুল মিয়া ও তাঁর পরিবারের লোকজনের বিরুদ্ধে ফেইজবুকে ও অনলাইন পত্রিকায় আপত্তিকর মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন কুসংস্কার স্টেটাস দিয়ে গ্রামে অশান্তি সৃষ্টিকরে আসচ্ছে। সে বিএনপির ছাত্রদলের পরিচয় দিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসচ্ছে বলে ওই গ্রামের একাধিক সূত্রে জানা গেছে।
তারই ধারাবাহিকতায়, পশুখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বহুদিনের পুরাতন ও পরিত্যক্ত আধাপাকা টিনসেট ভবনটি ঝড়ের কবলে পড়ে ভেঙ্গে যায়। বিদ্যালয়ের সামনে বৃষ্টির পানি জমে থাকায় শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য ওই বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি, সহ সভাপতি প্রধান শিক্ষকসহ সর্বসম্মতি ক্রমে কিছু ইট ভবনের সামনে বিছিয়ে দেওয়া হয়। ওই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে রহিছ মিয়ার প্রতারক ছেলে সাদ্দাম ব্যবসায়ী বকুল মিয়ার বিরুদ্ধে গত ৩ মে তাঁর ফেইজবুক আইডিতে ও একটি অনলাইন পত্রিকায় বকুল মিয়ার বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য পোষ্ট করেছে। এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মাদক ব্যবসায়ী, প্রতারক সাদ্দামের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মোহনগঞ্জ থানা পুলিশের হস্তকেপ কামনা করছেন পশুখালী বাজারের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী বকুল মিয়া।
পশুখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি, সহ-সভাপতি মোঃ মতিউর রহমান তাঁরা বলেন, রাতের অন্ধকারে কে বা কারা বিদ্যালয়ের ইট চুরিকরে নিয়ে যায় তা আমাদের জানা নেই। ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যাতে কাঁদা পানি না পেরে বিদ্যালয়ে এসে পাঠ্যদান করতে পারে সে জন্য আমরা কিছু ইট বিদ্যালয়ের সামনে বিছিয়েছি। আমাদের বিদ্যালয়ের ইট চুরি হয়েছে এমন মন্তব্য তো আমরা করিনি। সাদ্দাম কি পোষ্ট করেছে এটা তাঁর একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাথে তাঁর কোনো সম্প্রিক্ততা নেই। সে আমাদের সাথে কথা না বলেই বকুল মিয়াকে ইট চুর বলে ফেইজবুকে টেস্টাস দেয় কিভাবে।

212 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন