বাবুগঞ্জে চুরি হওয়া মালামাল ফেরত না দেওয়া পাঁচজন চোরকে পুলিশে সোপর্দ

আপডেট: September 18, 2026

বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি:বরিশালের বাবুগঞ্জে দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত একদল চোরের উৎপাতে অতিষ্ঠ বাবুগঞ্জ উপজেলার মোহনগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। গত ছয় মাসে টিউবওয়েল, ফ্যান, অটোরিকশার ব্যাটারি, দোকান চুরি, হাঁস-মুরগি ও সুপারি চুরির অভিযোগ উঠেছে অর্ধশতাধীক।সম্প্রতি মোহনগঞ্জ বাজার থেকে চুরি হওয়া টিউবওয়েলের মাথা ভাঙারির ব্যবসায়ী রুহুল আমিনের দোকানদা থেকে উদ্ধার হওয়ার পরে চুরি হওয়ার রহস্য উদঘাটন হয়।

এ নিয়ে সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর মোহনগঞ্জ বাজারে বাজার কমিটির ও স্থানীয়রা ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী সহ চোরচক্রের কয়েকজনকে হাজির করে সালিশ বৈঠকে,অনুষ্ঠিত হয়। সালিশ বৈঠকে মোহনগঞ্জ বাজার কমিটির সভাপতি ওবায়দুল, মিরন ফকির, নাইম হোসেন, মকবুল মৃধাসহ শতাধিক ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে চোরদের জিজ্ঞাসাবাদ করায় মোহনগঞ্জ বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় চুরি হওয়ার সত্যতা স্বীকার করেন। তারই ধারাবাহিকতায় সালিশ গণ একমত হয়ে চুরি হওয়া মালামালে মূল্য ৭০হাজার টাকা অথবা চুরি হওয়া মালামাল মালিককে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এবং ৫ দিনের মধ্যে এলাকা ছাড়া নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু চোরচক্ররা সালিশগনের সিদ্ধান্ত অমান্য করে টালবাহানা করছে। শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর উপজেলার মোহনগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে সালিশগণ ৫জন চোরকে ধরে বিমানবন্দর থানা পুলিশের কাছে সোপার্দ করেছেন। হস্তান্তরকারীরা হলেন- ইকবাল হোসেন, টিপু হাওলাদার, রুহুল আমিন, জাকির ঢালী, রাহান তালুকদার। মোহনগঞ্জ বাজার কমিটির সভাপতি ওবায়দুল হক বলেন, গত ছয় মাসে ১০ থেকে ১২টি টিউবওয়েল, ফ্যান, অটোরিকশার ব্যাটারি ও দোকানে চুরির পাশাপাশি হাঁস-মুরগি ও সুপারি চুরির ঘটনাও ঘটেছে। মোহনগঞ্জ বাজার কমিটির সহ স্থানীয়রা সালিশ বৈঠকে চোর চক্ররা চুরি হওয়া মালামাল মালিকদের ফেরত অথবা মালামালের ধার্যকৃত টাকা না দেওয়া ৫জন চোরকে ধরে বিমানবন্দর থানা পুলিশের কাছে সোপার্দ করার সত্যতা স্বীকার করেছেন মোহনগঞ্জ বাজার কমিটির সভাপতি ওবায়দুল হক । বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি সাখাওয়াত হোসেন বলেন,মোহনগঞ্জ বাজার কমিটি ৫জন চোরকে ধরে থানায় সোপর্দ করার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

29 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন