১৭ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার

শিরোনাম
বরিশাল শায়েস্তাবাদ চুড়ামন কমিউনিটি ক্লিনিকে থাকেনা ডাক্তার থাকেনা থোলা! দেখার কেউ নেই (পর্ব-১) ছাতা ধরে রাখলেন তরুণী রিকশাচালকের মাথায় হিজলার মেঘনায় ভাঙ্গন শুরু-ঝুকিতে পাঁচটি স্কুল-হুমকির মুখে উপজেলা প্রশাসনিক ভবণ সরকারের পূরণ হতে পারে মন্ত্রিসভার ‘শূন্যস্থান’ শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ১৪৭ তম জন্মবার্ষীকিতে জীবন কর্মে পথচলা তথ্য হিজলা ডাক বিভাগের দুর্নীতির-অনিয়মের হালখাতা খুলছে ডাক বিভাগ – পর্ব ০২ আই ডি এল সি ফাইন্যাস সরকারি নির্দেশ অমান্য করে আদায়ের করে কিস্তি ,মাঠ কর্মীদের দেখে ব্যবসায়ীরা পালায়! (২য় পর্ব) বরিশালের  হিজলার মানচিত্রে শকুনের থাবা॥একক আসন মেহেন্দিগঞ্জ !(১ম পর্ব) বরিশাল হিজলায় রাজনীতি না ভিক্ষা চুরি নীতি

ধর্মপাশায় আশ্রয়ন প্রকল্পের ২৯০টি পরিবার এখন স্বাবলম্বী

আপডেট: অক্টোবর ১১, ২০২১

গিয়াস উদ্দিন রানা,ধর্মপাশা(সুনামগঞ্জ):: আশ্রয়নের অধিকার শেখ হাসিনার উপহার এই প্রতিবাদ্যকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় উপজেলায় শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে, যাদের বাড়ী নেই, ঘর নেই এমন ২৯০টি অতিদরিদ্র পরিবারের মাঝে ২৯০টি ঘর নির্মানকরে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য দেওয়া হয়। এতে এক বছরেই তারা স্বাবলম্বী হয়েছে বলে সুবিধা ভোগী অনেকেই জানিয়েছেন।
২০১৯-২০২০ অর্থবছরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে উপজেলার চারটি ইউনিয়নে চার জন তদারকি অফিসারের মাধ্যমে ২৯০টি আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর নির্মান করে যাদের বাড়ী ও জমি নেই এমন ২৯০টি অসহায় পরিবারের মাধ্যে এসব আশ্রয়ন প্রকল্পের উপহার বরাদ্দ দেওয়া হয়। এসব প্রকল্পের আওতায় উপজেলার জয়শ্রী ইউনিয়নে শেখের গাঁও ১৭টি, গোপিনগর ৩৪টি, দুর্গাপুর ২৫টি, মলয়শ্রী১৭টি, হরিপুর ২৮টি, শিমের খাল ৩৪টি ও ইসলামপুর ১৫টি। মধ্যনগর ইউনিয়নের সাইলানী ৩৪টি, বৈঠাখালী ৮টি, জমশেরপুর ১০টি, হরিপুর ৬টি, খালিশাকান্দা ২৫টি। পাইকুরাটি ইউনিয়নের মাসকান্দা ১৫টি, সুনই ২০টি ও চামরদানী ইউনিয়নের রামদিঘা ১২টি আশ্রয়ন প্রকল্পের আওতায় ২৯০টি ঘর নির্মান করে ২৯০টি যাদের বাড়ী নেই ঘরনেই এমন অসহায় ২৯০টি পরিবারের মধ্যে এসব আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়। ওই অসহায় পরিবার গুলো আজ স্বাবলম্বী হয়ে দিন যাপন করছে বলে জানা গেছে।
সুবিধাভোগীরা বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্যার খুব ভাল মানুষ ঘরগুলো নির্মানের সময় কোন প্রকার অনিয়ম, দুর্নীতি না হয় তাই তিনি প্রায় প্রতিদিন এসে পরিদর্শন করেছেন। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর ঘর গুলো কোন প্রকার ক্ষতিহয়েছে কি না তা তিনি এসে প্রতিটি ঘর পরিদর্শন করেছেন।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মুনতাসির হাসান তিনি বলেন, ২০১৯-২০২০ সালে প্রধানমন্ত্রী জননেতৃ শেখ হাসিনার নিদের্শে এসব আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর নির্মানের দায়িত্ব পাওয়ার পর তদারকির জন্য উপজেলা থেকে ৫জন অফিসারকে দায়িত্ব দেওয়ার পরও আমি প্রতিদিন সরজমিনে গিয়ে নির্মান সামগ্রী পরিক্ষা করেছি বিধায় অকাল বন্যায় আমার একটি ঘরও ক্ষতি হয়নি। এবং ২৯০টি ঘরেই তারা স্বপরিবারে শান্তিতে বসবাস করছে

60 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন