
আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
আজকের এই দিনে ঘাতক ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে শহীদ হন ঢাকা বিশ^বিদ্যালের তৎকালিন আবাসিক ছাত্র পটুয়াখালী জেলার বাউফলের ইব্রাহিম সেলিম ও পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ার কাজী দেলোয়ার। এইচ এম ইব্রাহিম সেলিম ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস বিভাগের শেষ বর্ষ এবং কাজী দেলোয়ার হোসেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র । ১৯৮৪ সালের উপজেলা নির্বাচনের ডাক দেয় স্বৈরাচার এরশাদ সরকার। এর বিপরীতে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৫ দল, বিএনপি নেতৃত্বাধীন ৭ দল এবং ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ উপজেলা নির্বাচনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে। তুমুল আন্দোলনে রাজপথ উত্তাল করে তোলে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ। ১৯৮৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালেয়ের মধুর কেন্টিন থেকে শুরু করে বিশাল মিছিল বের হয়ে ফুলবাড়িয়া হয়ে গুলি¯’ানের দিকে এগুতে থাকে। মিছিলটি ফুলবাড়িয়া পৌঁছানোর পরপরই বর্তমান ফায়ার ব্রিগেড অফিসের পাশ থেকে স্বৈরাচার সরকারের নির্দেশে পুলিশের একটি ঘাতক ট্রাক অতর্কিতভাবে পেছন থেকে মিছিলের উপর দিয়ে দ্রুত গতিতে চালিয়ে যায়। এতে ঘটনা¯’লেই ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে শাহাদত বরন করেছিলেন সেলিম ও দেলোয়ার। ক্ষত-বিক্ষত ও আহত হয়ে রাস্তায় পড়েছিল মিছিলে অংশ নেয়া আরো অনেক ছাত্র। পরবর্তীতে সেলিম, দেলোয়ারের আত্মত্যাগের পথ ধরে আন্দোলনের মাধ্যমে নব্বইয়ে স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের পতন ঘটে। রাজনৈতিক দলগুলো সেদিন তিন জোটের রূপরেখা দিয়ে গণতন্ত্রকে সংহত এবং স্বৈরাচারকে চিরতরে প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দেয়। বরিশালে থাকা শহীদ সেলিমের একমাত্র কণ্যা নুসরাত জাহান ইব্রাহিম ওরফে ডরোথী ইব্রাহিম বলেন, যে সড়কে তাঁর বাবা প্রাণ দিয়েছিলেন, সেই সড়কের নাম সেলিম-দেলোয়ারের নামে করার দাবি উঠলেও আজ পর্যন্ত তা পূরণ হয়নি। যাদের রক্ত আর আত্মত্যাগের উপর আমাদের দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হলো, তাদের ত্যাগ আর অর্জনগুলোর কথা খুব সহসাই ভুলে না জাওয়ার অনুরোধ জানান ডরোথী ইব্রাহিম।আজ ২৮ ফেব্রুয়ারি, শহীদ সেলিম-দেলোয়ার দিবস।
২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২২
আজকের এই দিনে ঘাতক ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে শহীদ হন ঢাকা বিশ^বিদ্যালের তৎকালিন আবাসিক ছাত্র পটুয়াখালী জেলার বাউফলের ইব্রাহিম সেলিম ও পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ার কাজী দেলোয়ার। এইচ এম ইব্রাহিম সেলিম ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস বিভাগের শেষ বর্ষ এবং কাজী দেলোয়ার হোসেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র । ১৯৮৪ সালের উপজেলা নির্বাচনের ডাক দেয় স্বৈরাচার এরশাদ সরকার। এর বিপরীতে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৫ দল, বিএনপি নেতৃত্বাধীন ৭ দল এবং ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ উপজেলা নির্বাচনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে। তুমুল আন্দোলনে রাজপথ উত্তাল করে তোলে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ। ১৯৮৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালেয়ের মধুর কেন্টিন থেকে শুরু করে বিশাল মিছিল বের হয়ে ফুলবাড়িয়া হয়ে গুলি¯’ানের দিকে এগুতে থাকে। মিছিলটি ফুলবাড়িয়া পৌঁছানোর পরপরই বর্তমান ফায়ার ব্রিগেড অফিসের পাশ থেকে স্বৈরাচার সরকারের নির্দেশে পুলিশের একটি ঘাতক ট্রাক অতর্কিতভাবে পেছন থেকে মিছিলের উপর দিয়ে দ্রুত গতিতে চালিয়ে যায়। এতে ঘটনা¯’লেই ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে শাহাদত বরন করেছিলেন সেলিম ও দেলোয়ার। ক্ষত-বিক্ষত ও আহত হয়ে রাস্তায় পড়েছিল মিছিলে অংশ নেয়া আরো অনেক ছাত্র। পরবর্তীতে সেলিম, দেলোয়ারের আত্মত্যাগের পথ ধরে আন্দোলনের মাধ্যমে নব্বইয়ে স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের পতন ঘটে। রাজনৈতিক দলগুলো সেদিন তিন জোটের রূপরেখা দিয়ে গণতন্ত্রকে সংহত এবং স্বৈরাচারকে চিরতরে প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দেয়। বরিশালে থাকা শহীদ সেলিমের একমাত্র কণ্যা নুসরাত জাহান ইব্রাহিম ওরফে ডরোথী ইব্রাহিম বলেন, যে সড়কে তাঁর বাবা প্রাণ দিয়েছিলেন, সেই সড়কের নাম সেলিম-দেলোয়ারের নামে করার দাবি উঠলেও আজ পর্যন্ত তা পূরণ হয়নি। যাদের রক্ত আর আত্মত্যাগের উপর আমাদের দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হলো, তাদের ত্যাগ আর অর্জনগুলোর কথা খুব সহসাই ভুলে না জাওয়ার অনুরোধ জানান ডরোথী ইব্রাহিম।