২৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার

শালিস না মানায় মা মেয়েকে মারলেন মেম্বার

আপডেট: মার্চ ১৮, ২০২২

হিজলা প্রতিনিধি :: মেম্বারকে না জানয়ে থানায় অভিযোগ দেয়ায় মা মেয়েতে লাঞ্ছিতের অভিযোগ ভুক্তভোগির।মা মেয়ে হিজলা স্বাস্থ্যেকমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।

বরিশালের হিজলা উপজেলায় সালিশির নামে ইউপি সদস্যর হুকুম না মানায় মা ও মেয়েকে মারধর করার অভিযোগ তুলছেন আহত মা কহিনুর বেগম (৪০)ও মেয়ে রুবিনা বেগম(১৪)। উভয়ে হিজলা স্বাস্থ্যেকমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

জানা যায় উপজেলার বড়জালিয়া ইউনিয়নের খুন্না গোবিন্দ্রপুর গ্রামের বাস্তহারায় শনিবার রাত ৮ টার সময় শালিস বৈঠকে এ ঘটনা ঘটে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কহিনুর বেগম জানায়, তার স্বামী শুকুর রাড়ি অন্য মেয়ের সাথে পরকীয়ায় আসক্ত।এ বিষয়টি জানা পরে একাধিক বার স্বামীকে পরকীয়া থেকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টায় ব্যর্থ  হন তিনি।এ ঘটনায় স্ত্রী কহিনুর বেগম স্বামীর বিরুদ্ধে হিজলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য ঝন্টু বেপারী সালিশ করতে গিয়ে বলে থানায় অভিযোগ কেনো দিয়েছিস।থানায় অভিযোগ দেয়ার অপরাধে  ইউপি সদস্যের বডিগার্ড  ছাত্তার গাজীর নেতৃত্বে পরকীয় প্রেমিকের ভাই সহ ৭/৮ জন মিলে আমাকে ও আমার মেয়েকে এলোপাতাড়ী মারপিট করে। স্থানীয় আমছার আলী কাজী বলেন ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক।আমি বাধা দিতে গেলে আমাকে মারপিট করে ছত্তরগং।ইউপি সদস্য ঝন্টু বেপারীর  জানান, বিষয়টি পারিবারিক। এ বিষয়ে তাকে জড়ানো ভিত্তিহীণ।

উল্লেখ্য এর আগে একই ধরণের একটি ঘটনা সেনা সদস্যকে নিয়ে তৈরী হয়। ঐ ঘটনায় ইউপি সদস্য জন্টু বেপারী, ছত্তরগাজি এবং লাঠিয়াল সেনা সদস্যকে ব্যবহার করা হয় বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এলাকায় মেম্বার তার একটি বাহিনী নিয়ে অধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কোন না কোন ঘটনার জন্মদেন ছত্তার গাজি, সেনা সদস্য সালাউদ্দিন সহ একটি বাহিনী। স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ এ বিষয়ে পুলিশের সহায়তা রয়েছে বলে তাদের দাবি।

হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইউনুস মিয়া বলেন গতকাল মা মেয়েকে মারধরের সংবাদ পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মেয়ে মা আইনগত ব্যবস্থা চাইলে আইনি সহয়তা দেওয়া হবে।

239 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন