
আপডেট: October 14, 2020
গিয়াস উদ্দিন রানা,ধর্মপাশা(সুনামগঞ্জ):: সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নের বেড়ীরকান্দা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মেরামতের জন্য ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে ওই বিদ্যালয়ে ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা ক্ষুদ্র মেরামতের জন্য বরাদ্দ দিলেও প্রধান শিক্ষক ও অভিভাবক কমিটির সভাপতি একে অপরের যোগসাযসে নাম মাত্র কাজ করেই সমস্ত টাকা আত্মসাক করেছে বলে বিদ্যুৎ শাহী সহ ৫জন সদস্যের স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ গতকাল সোমবার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
উপজেলায় পাক প্রাথমিক ও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সর্ব মোট ১৯৩ টি বিদ্যালয় রয়েছে। প্রতিটি বিদ্যালয়ে রুটিন মেরামত, স্লিপ ও অফিসের কাগজ-কলম ইত্যাদি বাবত প্রতিটি বিদ্যালয়ে প্রায় ৮০ হাজার করে টাকা বরাদ্দ আসলেও ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে জড়াজীর্ণ ৫০টি বিদ্যালয় ক্ষুদ্র মেরামতের জন্য প্রতিটি বিদ্যালয়ে ২ লাখ করে ৫০টি বিদ্যালয় ক্ষদ্র মেরামতের জন্য ১ কোটি টাকা বরাদ্দ আসে।
তারই ধারাবাহিকতায় সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নের বেড়ীরকান্দা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রুটিন মেরামতের ৮০ হাজার টাকার পরও ক্ষুদ্র মেরামতের জন্য ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেযা হলেও ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাজহারুল ইসলাম ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ আবুল কাশেম তারা বিদ্যুৎ শাহীসহ অন্যান্য সদস্যদের না জানিয়ে প্রধান শিক্ষক মাজহারুল ইসলাম ও সভাপতি মোঃ আবুল কাশেম একে অপরের যোগসাজসে ওই বিদ্যালয়ে নিম্মর্ন মানের রং সহ নাম মাত্র কাজ করে প্রায় লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে ওই বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ শাহী বীর মুক্তিযুদ্ধার মেয়ে বিদ্যুৎ শাহী মরিয়ম বেগম, অভিভাবক সদস্য কুলসুম বেগম. উবি সদস্য আহমদ হোসেন, অভিভাবক সদস্য বাচ্ছু মিয়া ও দাতা সদস্য উজ্জল প্রধান স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ গতকাল সোমবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে ও ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার ও প্রেসক্লাবে প্রেরন করা হয়।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মুনতাসির হাসান পলাশ তিনি বলেন, অভিযোগটি পেয়েছি। তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা শিক্ষা অফিসার আব্দুল আউয়াল তিনি বলেন, বেড়ীরকান্দা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্ষুদ্র মেরামত কাজে অনিয়মের একটি অভিযোগ আমরা পেয়েছি। তদন্ত করে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে আত্মসাতের কোন সুযোগ নেই।
ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাজহারুল ইসলাম বলেন, বরাদ্দকৃত টাকা দিয়ে অনেক কাজ করেছি। আরো সামান্য কিছু কাজ বাকী রয়েছে। আমি কোন অনিয়ম করিনি। বিদ্যালয় অভিভাবক কমিটির সভাপতি আবুল কাশেমের মোবাইল ফোনটি বন্ধ ছিল তাই যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।